নিউজবুক টিকার
দেশে প্রথম করোনা ‘ভ্যাকসিন’ আবিষ্কারের দাবি                    নতুন দল নিবন্ধন আইনের প্রক্রিয়া স্থগিত চায় বিএনপি                    স্বস্তি ফিরলেও আতঙ্ক কাটেনি রাজাবাজারে                    ভাঙ্গা-পায়রা বন্দর রেলপথ নির্মাণ: সমীক্ষার ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ছে                    সৌদি আরব থেকে ফিরলো ৪১৬ বাংলাদেশি                    
01 Jul 2020   09:36:04 PM   Wednesday   BdST

করোনাকালে নতুন আইন নিয়ে যা বলল বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস সংকটকালে নতুন আইন প্রণয়ন কার্যক্রম বিশেষ উদ্দেশ্যমূলক আখ্যায়িত করে তা স্থগিত রাখতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছে বিএনপি।
 
 
বুধবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএনপির প্রতিনিধি দল এ দাবি জানায়। রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইনের খসড়ার ওপর মতামত দেবে না বলেও ইসিকে জানিয়েছে বিএনপি।
 
দলটি নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠু নির্বাচনের উপর গুরুত্বারোপ করতে পরামর্শ দিয়েছে।
 
বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দল ইসিতে আসেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলটির আইন সম্পাদক ব্যরিস্টার কায়সার কামাল ও সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদ। সাক্ষাতে ইসি সচিবকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি চিঠি হস্তান্তর করা হয়।
 
পরে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, করোনা মহামারীর এই সময়ে সমস্ত মানুষ যখন জীবন-জীবিকা রক্ষায় নিবদ্ধ, তখন কমিশনের এ উদ্যোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
 
খসড়া আইনে বেশকিছু অসঙ্গতি রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব অসঙ্গতি আমরা তুলে ধরে বলেছি, এখন আইন প্রণয়নের সময় নয়। তাই এ কার্যক্রম স্থগিত রাখা হোক।
 
এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা মতামত দিইনি। যেহেতু আমরা প্রক্রিয়াটি স্থগিতের দাবি জানিয়েছি, তাই কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলের বৈঠকে আলোচনা করে আমাদের করণীয় ঠিক করবো।
 
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সচিব আমাদের জানিয়েছেন কমিশনের কাছে আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরে আলোচনা করবেন। তারপর যে সিদ্ধান্ত আসে, তা আমাদের জানিয়ে দেবেন।
 
এদিকে নতুন আইনে ইংরেজি শব্দের বাংলা প্রতিস্থাপনের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিবের চিঠিতে বলা হয়েছে, নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নামে কমিশন ও পদবীতে কমিশনারের মতো ইংরেজি শব্দ অক্ষুণ্ণ রেখে জনগণের কাছে পরিচিত ও দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং জনপ্রতিনিধিদের পদ-পদবী পরিবর্তনের প্রস্তাব অনৈতিক ও অপ্রয়োজনীয়।
 
স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সুপ্রিম কোর্ট এমন অনেক নাম ও পদবী উল্লেখ করে চিঠিতে প্রশ্ন করা হয়, নির্বাচন কমিশন কী এসব নাম এবং সংবিধান ও অন্যান্য আইনের ভাষা অশুদ্ধ মনে করে? চিঠিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের সামর্থ কীভাবে বাড়ানো যায় সেদিকে মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।