16 Jun 2018   11:47:53 AM   Saturday   BdST

শেষ মুহূর্তে হেরে গেল সালাহদের মিসর

ক্রীড়া ডেস্ক : গোলের খেলা ফুটবলে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করে ‘গোল’। গোল ব্যবধানে যারা এগিয়ে থাকে দিনশেষে তারাই বিজয়ী। কখনো কখনো ভালো খেলেও গোল হজম করে বিজিত দলের তালিকায় নাম ওঠে। শুক্রবার মিসরের ক্ষেত্রেও হয়েছে তেমন কিছু। ম্যাচের ৮৯ মিনিট পর্যন্ত নিজেদের গোলপোস্ট অক্ষত রাখা মিশর গোল হজম করেছে শেষ মিনিটে। তাতে ১-০ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শুরু হল মোহাম্মদ সালাহদের। 


এদিন অবশ্য সালাহকে শুরুর একাদশে রাখেননি কোচ হেক্টর কুপার। এমনকী দ্বিতীয়ার্ধেও তাকে মাঠে নামাননি তিনি। মিসরের আক্রমণ ভাগ একজন সালাহর অভাব খুব করে বোধ করেছে। মিসরের অধিকাংশ আক্রমণ উরুগুয়ের ডি বক্সের বাইরে গিয়ে আর এগোয়নি। মিসরের ফরোয়ার্ডও উল্লেখ করার মতো কোনো আক্রমণ কিংবা শট নিতে পারেননি। একইভাবে মিসরের রক্ষণভাগ শুক্রবার পিরামিড হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সুয়ারেজ-কাভানিদের আক্রমণগুলো দারুণ দক্ষতায় রুখে দিয়েছে নীলনদ আর পিরামিডের দেশের রক্ষণভাগ। 

তাদের গোলরক্ষক মোহামেদ এল শেনাওয়িও দারুণ খেলেছেন। অন্তত ৯০ মিনিটে গোল হজম করার আগ পর্যন্ত। প্রথমার্ধে সুয়ারেজের নেওয়া নিশ্চিত গোলের শট হাঁটু দিয়ে রুখে দেন তিনি। এরপর ম্যাচের শেষ দিকে সুয়ারেজ ও কাভানির সমন্বিত আক্রমণ দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন। এ সময় ডি বক্সের ভেতর থেকে সুয়ারেজ হেডে বল বাড়িয়ে দেন বক্সের বাইরে থাকা কাভানিকে। বল পেয়ে ডি বক্সের সামনে থেকে জোরালো শট নেন কাভানি। গোলপোস্টের ডানপাশ দিয়ে বল জালে ঢুকতে যাচ্ছিল। এমন সময় পাখির মতো উড়ে এসে বলটিকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করে দেন মোহামেদ এল শেনাওয়ি। 

কিন্তু ৯০ মিনিটে হোসে মারিও গিমিনেজের নেওয়া হেডটি আর রুখতে পারেননি। এ সময় ফ্রি কিক পায় উরুগুয়ে। ফ্রি কিক থেকে কার্লোস সানচেজের ক্রসে বল পেয়ে যান গিমিনেজ। তিনি হেড নেন। সেটা মিসরের গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে আশ্রয় নেয়। উল্লাসে মেতে ওঠেন উরুগুয়ের কোচিং স্টাফ ও সমর্থকরা।

স্বাগতিক রাশিয়ার পর জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল উরুগুয়েও। বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী ম্যাচে সৌদি আরবকে ৫-০ গোলে হারিয়েছে রাশিয়া। আজ অন্তিম মুহূর্তের গোলে মিসরকে ১-০ গোলে হারিয়েছে উরুগুয়ে। এই জয়ের ফলে পরের রাউন্ডে যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে গেল রাশিয়া ও উরুগুয়ে।