03 Aug 2019   03:10:15 AM   Saturday   BdST

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই বাসের সংঘর্ষ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনায় হাবিপ্রবি’র শিক্ষার্থীসহ আরও ৩জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। এ দিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১ জন। এ ঘটনায় অন্তত আরও ২২ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জনের মধ্যে অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

শুক্রবার রাতে দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি মোসাব্বেরুল হক।
 
তিনি নিহতদের পরিবারের লোকজনের বরাতে জানান, গুরুতর আহত দুইজনের অবস্থার অবনতি হলে ঠাকুরগাঁও হাসপাতাল থেকে তাদের দিনাজপুর মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়। পরে সন্ধ্যায় সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তারা।

দিনাজপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত দুইজন হলেন-ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া গ্রামের দবিরুল ইসলাম(কমরেড) এর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম(৫০) ও একই উপজেলার ধনতলা ইউনিয়নের ধুকুর ঝাড়ী গ্রামের মৃত আবু সাঈদের স্ত্রী কামরুনেচ্ছা (৫০)।

এর আগে শুক্রবার (২ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ঠাকুরগাঁও-ঢাকা মহাসড়কের খোঁচাবাড়ি বলাকা উদ্যানের সামনে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।  

এ সময় ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে আনা হলে সেখানে দুইজন নিহত হন। পরে আরেকজনকে গুরুতর অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও বেংরোল জিয়াবাড়ী গ্রামের মোস্তফা (৪২), তার স্ত্রী মনসুরা বেগম (৩৫), ওই ইউনিয়নের সনগাঁও গ্রামের আব্দুর রহমান (৪০), লাহিড়ী হাট এলাকার সরস্বতী সাহা (৫০), সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ (৪২), সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের মহেষপুর কালিবাড়ী গ্রামের ক্ষিতিশ বর্মণ (৪০), বীরগঞ্জের মঙ্গলী রানী (৬৩) ও জবা রানী (৩৫) এবং হাবিপ্রবি’র অধীনে সরকারি শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এগ্রিকালচার অনুষদের ১ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী দিনাজপুর জেলার রামডুবি এলাকার আব্দুর রউফ(২০)।  

সরকারি শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের অধ্যক্ষ ড. তৈয়বা খাতুন জানান, রউফের মৃত্যুতে পুরো কলেজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমরা সকলেই সমবেদনা জানাতে আব্দুর রউফের বাড়ীতে গেছিলাম।